যুদ্ধ ধর্ষণ ও জবাবদিহিতা | War Rape And Accountability

যুদ্ধ ধর্ষণ ও জবাবদিহিতা | War Rape And Accountability


১৯৮৯ সালের Casualties of War সিনেমাটি ভিয়েতনাম যুদ্ধে অংশ নেওয়া একদল সৈনিকের সত্য কাহিনি তুলে ধরেছে। সেখানে তারা কিছু ভয়ংকর অপরাধ নিজেদের চোখে দেখেছে এবং অংশগ্রহণও করেছে। তাদের অন্যতম অপরাধ ছিল ভিয়েতনামী এক তরুণীকে অপহরণ ও ধর্ষণ করা।

চলচ্চিত্রটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন মাইকেল জে ফক্স। তিনি একজন প্রাইভেট অ্যারিকসনের চরিত্র গ্রহণ করেন, তিনি ছিলেন দলের একজন যিনি অপহরণ আর ও ধর্ষণে অংশগ্রহণ থেকে বিরত ছিলেন।

যে ঘটনাটি ঘটেছিল তা নিয়ে যখন এরিকসন সংগ্রাম করছিলেন, তখন তিনি দলের অন্যান্য সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন “আমরা যে কেবল যেকোনো মুহূর্তে বোমায় উড়ে যেতে পারি বলে আমরা এমনভাবে আচরণ করছি যেন আমরা চাইলে যেকোনো কিছু করতে পারি যাতে মনে হচ্ছে আমরা যা করছি তা কেনো ব্যাপার না। আমি তার ঠিক উল্টোটাই ভাবছি। কারণ আমরা যেহেতু নিমিষেই মারা যেতে পারি, তাই আমরা কি করছি না করছি সে ব্যাপারে আমাদের আরও বেশি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কারণ তা হয়ত আরও গুরুত্বপূর্ণ। সম্ভবত তা আমাদের অবগতির চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

 

মুরাল: কেবল কোনো কিছুতে আমরা করতে পারি বা করার সামর্থ্য রয়েছে বলে চাইলেই আমরা করতে পারি না বা করা উচিত না। আমাদের অধিকার থাকলেও তা আমরা পারি না। কারণ অধিকারের সাথে সাথে আমরা আমাদের আচরণের প্রতি দায়বদ্ধ।

আমাদের ক্ষমতা আছে বলে বা ক্ষমতাবলে আমরা ইচ্ছে করলে অন্যের অধিকারকে খর্ব করতে পারি, কিন্তু একটা সভ্য মানবতা বা একটি সভ্য আত্মা থেকে অসভ্য বা দুর্বল মানুষেরা তো দায়বদ্ধ আচরণ প্রত্যাশা করতে পারে।

আমাদের প্রতিটি অমঙ্গলজনক আচরণের জবাবদিহিতা আমাদের করতে হবে, হয় প্রকৃতির কাছে, নয় স্রষ্টার কাছে।

 

Post a Comment

Previous Post Next Post